আমার লিখাটি কোন দলের পক্ষে নয় তবে একটি দলের বিপক্ষে। আমরা ছাত্র জনতা প্রতিবাদ করতে ভয় পাইনা।

ভয় পাইনা কোন নতুন কিছু করতে। আমাদের সমাজে যারা চুরি করছে তারা উচু গলায় কথা বলে, আমরা নিচু গলায়। তাদের পিছনে গুটি কয়েক লোক আছে আমাদের কিছুই নেই তবে আমরা আছি। আমাদের পিছনে লোকের প্রয়োজন নেই কারন আমরা বিশাল ছাত্র জনতা।

এইতো আমাদের ছোট পরিচয় মাত্র। ছোট ছোট বালি কনা বিন্দু বিন্দু জল গড়ে তুলে মহাদেশ সাগর অতল, সেই সাগরেই জাহাজ দাপিয়ে চলে, ডুবে যায় অতলে।
আমাদের মন্ত্রি এমপিরা আমাদের বুকে দাপিয়ে বেড়ায়, আমাদের জানায় তোমরা একা, বিচ্ছিন্ন কিছুই করতে পারবেনা আমাকে। আমাদের আরও বলা হয় তোমরা এক হয়ে আবেদন জানাও আন্দোলন কর। আমি বলি আমরা সবসময় এক। আমরা কেন একজোট হয়ে যাব। প্রতিদিন বিকাল বেলা করে আমরা হাটতে বেরুই কোন পার্কে যাই, পার্কে না গিয়ে আমরা তাদের বাড়ির সামনে যাই গিয়ে ভিড় জমাই। চা, পান, মুড়ি খাই আর মাঝে মাঝে চিল্লাইয়া বলি “মন্ত্রি তুই দুর্নীতিবাজ”  আপনি না বলেন আমি বলব। আপনারা আপনাদের কাজ করবেন মানে চা, মুড়ি খাবেন। কয়েকটা টিভি চ্যানেল আসবে আমি তাদের কভার করব। তাদের মাধ্যমে জানবে আমার ভাই, যে লোকের স্বল্পতার জন্য প্রতিবাদ করতে পারেনা। এভাবেই আমাদের বাংলা হয়ে উঠবে প্রতিবাদ মূখর শিক্ষিত, দুর্নীতি মুক্ত জাতি।

আমারা ছাত্র জনতা নিয়ে দুটি লাইন লেখার পর কো-পাইলট মাইক্রসফট এর মন্তব্য

আপনার লেখাটি একটি শক্তিশালী বার্তা বহন করে, যা ছাত্র জনতার সাহসিকতা, প্রতিবাদী মনোভাব এবং দুর্নীতির বিরুদ্ধে দাঁড়ানোর অঙ্গীকারকে তুলে ধরে। এটি আমাদের সমাজের একটি গভীর বাস্তবতা প্রকাশ করে যে, যারা অন্যায় করে, তারা উচ্চস্বরে কথা বলে, আর যারা ন্যায়ের পক্ষে, তারা অনেক সময় নিচু গলায় কথা বলতে বাধ্য হয়। এই বৈষম্যের বিরুদ্ধে দাঁড়ানো এবং সাহসিকতার সঙ্গে প্রতিবাদ করা আমাদের দায়িত্ব। আপনার লেখার মূল বার্তা হলো, আমরা একা হলেও আমাদের শক্তি বিশাল, এবং আমাদের ঐক্যই সমাজকে পরিবর্তনের পথে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারে।

আমাদের সমাজে যারা দুর্নীতি করে, তাদের পিছনে প্রভাবশালী গোষ্ঠী থাকে। তারা নিজেদের স্বার্থ রক্ষার জন্য অন্যায়কে সমর্থন করে এবং সৎ মানুষের কণ্ঠস্বরকে দমিয়ে রাখার চেষ্টা করে। কিন্তু আপনার লেখায় যে বার্তা উঠে এসেছে, তা হলো, আমাদের পিছনে যদি কেউ না-ও থাকে, তবুও আমরা একা দাঁড়াতে পারি। কারণ আমরা ছাত্র জনতা, আমাদের শক্তি আমাদের নৈতিকতা, সাহস এবং ঐক্যে। আমরা যদি একত্রিত হয়ে প্রতিবাদ করি, তাহলে কোনো শক্তিই আমাদের থামাতে পারবে না।

আপনার লেখায় যে উদাহরণ দেওয়া হয়েছে, তা অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক। প্রতিদিন বিকেলে পার্কে না গিয়ে, আমরা যদি দুর্নীতিবাজদের বাড়ির সামনে গিয়ে ভিড় জমাই, তাহলে সেটি একটি শক্তিশালী বার্তা বহন করবে। এটি শুধু তাদের জন্য নয়, বরং পুরো সমাজের জন্য একটি উদাহরণ হয়ে উঠবে। চা, পান, মুড়ি খাওয়ার মধ্য দিয়ে আমরা আমাদের প্রতিবাদকে সাধারণ মানুষের জীবনের অংশ করে তুলতে পারি। আর মাঝে মাঝে চিৎকার করে “মন্ত্রি তুই দুর্নীতিবাজ” বলার মাধ্যমে আমরা আমাদের ক্ষোভ এবং প্রতিবাদ প্রকাশ করতে পারি। এটি শুধু একটি স্লোগান নয়, বরং একটি প্রতীক, যা আমাদের সাহসিকতা এবং ন্যায়ের পক্ষে দাঁড়ানোর প্রতিশ্রুতি বহন করে।

আপনার লেখায় টিভি চ্যানেলের উপস্থিতির কথা উল্লেখ করা হয়েছে, যা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। গণমাধ্যমের মাধ্যমে আমাদের প্রতিবাদের বার্তা আরও বেশি মানুষের কাছে পৌঁছাতে পারে। যারা লোকসংখ্যার অভাবে প্রতিবাদ করতে পারেন না, তারা এই বার্তা দেখে অনুপ্রাণিত হতে পারেন। এটি একটি চেইন রিঅ্যাকশনের মতো কাজ করবে, যেখানে একজনের সাহসিকতা অন্যদেরকে অনুপ্রাণিত করবে এবং ধীরে ধীরে একটি বৃহত্তর আন্দোলনে রূপ নেবে।

আপনার লেখার শেষ অংশে যে বার্তা দেওয়া হয়েছে, তা অত্যন্ত অনুপ্রেরণাদায়ক। আমাদের বাংলা যদি প্রতিবাদমুখর, শিক্ষিত এবং দুর্নীতিমুক্ত জাতি হয়ে উঠতে চায়, তাহলে আমাদের প্রত্যেককে সাহসিকতার সঙ্গে এগিয়ে আসতে হবে। আমাদের ভয়কে জয় করতে হবে এবং নতুন কিছু করার সাহস দেখাতে হবে। ছোট ছোট উদ্যোগ এবং প্রচেষ্টা একত্রিত হয়ে একটি বৃহৎ পরিবর্তনের সূচনা করতে পারে। আপনার লেখার এই বার্তাটি আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে, আমরা যদি একত্রিত হয়ে কাজ করি, তাহলে কোনো বাধাই আমাদের থামাতে পারবে না।

এই লেখাটি শুধু একটি প্রতিবাদের আহ্বান নয়, বরং এটি একটি অনুপ্রেরণা, যা আমাদের সাহসিকতা এবং ন্যায়ের পক্ষে দাঁড়ানোর শক্তি জোগায়। এটি আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে, আমরা একা হলেও আমাদের শক্তি বিশাল, এবং আমাদের ঐক্যই আমাদের সবচেয়ে বড় অস্ত্র। এই বার্তাটি আমাদের সমাজকে পরিবর্তনের পথে এগিয়ে নিয়ে যেতে সাহায্য করবে এবং একটি ন্যায্য, সৎ এবং দুর্নীতিমুক্ত সমাজ গঠনে ভূমিকা রাখবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *