বিয়েতে ভয় এবং গোপন সমস্যার স্থায়ী সমাধান!বিয়েতে ভয় এবং গোপন সমস্যার স্থায়ী সমাধান!

বিয়ের বিষয় আসলে ছেলে/ মেয়ে সবারই বিভিন্ন প্রশ্ন জাগতে পারে এবং কিছু ক্ষেত্রে ভয় থাকতে পারে এমন কিছু প্রশ্ন নিয়ে আজকের লেখা।

প্রশ্ন যদি মেয়ে থেকে আসে তাহলে কোন দুঃচিন্তার কারণ নাই। ধর্মীয় কাজ আর নিয়মিত কাজ পড়াশোনা করতে থাকুন।

প্রশ্ন যদি কোন ছেলের দিক থেকে আসে তাহলে:

১. যদি শারিরিক কোন সমস্যা নিয়ে ভয় পান তাহলে তা প্রথমেই ঝেড়ে ফেলুন। আপনার কোন শারীরিক সমস্যা আছে কি/ না তা শুধুমাত্র এবং কেবলমাত্র বিয়ের পরই জানতে পারবেন। কারণ বিয়ে এমন একটি বিষয় যা পৃথীবির সকল পাপাচার থেকে বিরত রাখে এবং নিজ দেহকে রাখে প্রফুল্ল। এতকিছুর পর যদি মনে করেন শারিরিক সমস্যা আছে তাহলে আগে বিয়ে করেন। মূল বিষয়টি দেখুন এবং যদি দেখেন আসলেই সমস্যা তাহলে সমাধানে আসুন। ব্লোগের নিচের সমাধান নিয়ে কথা হবে।

২. টাইমিং: এখানেও একই কথা। বিয়ের আগে কখনই কেউ বুঝতে পারে না সে কত সময় স্থায়ী হতে পারবে। এটা বিয়ে ছাড়া যাচাই করা সম্ভব না। আর এসব বিষয়ে উদ্ভট যত কথা আমরা ভাবি আর শুনি তা মূলত উৎপত্তি হয় অসুস্থ ভিডিও দেখার পর থেকে। এটা নিয়ে ভাবনার কোন অবকাশ নাই। কোন ভয় নাই, আগে বিয়ে করুন। দেখুন কোন সমস্যা আছে কি/না।

৩. অন্যান্য: অন্যান্য অনেক সমস্যা থাকতে পারে নিচে সমাধান দেখুন।

সমাধান: এসব সমস্যার মূল কারণ অসুস্থ ভিডিও, অসুস্থ মানুষের কথা শ্রবণ করা ইত্যাদি। এবং চিকিৎসা খুবই সাধারণ। এসব সমস্যার চিকিৎসা দক্ষ অভিজ্ঞ কোন ডাক্তারের সুপরামর্শ। এখানে দক্ষ ও অভিজ্ঞ ডাক্তার খোজ করতে অনেকেই ভুল করে থাকে। কিছু বিষয়ের দিকে খেয়াল রাখলে চিকিৎসায় প্রতারিত হবার সম্ভাবনা এড়ানো সম্ভব। একটু বেশী টাকা খরচ করে কোন প্রাইভেট হাসপাতাল যেমন ইবনে সিনা, ডকটাইম (অনলাইন), স্কয়ার, বিআরবি, পপুলার, ডেল্টা ইত্যাদি বা কোন সরকারি হাসপাতালের থেকে চিকিৎসা নেয়া যেতে পারে। এসব হাসপাতালের চর্ম ও যৌন বিভাগ থেকে চিকিৎসা নিয়ে যাচাই করতে হবে।

যাচাই করার প্রসেস

ক. ডাক্তার যে ঔষধগুলো দিবে তার সে ঔষধ যদি নির্দিষ্ট দোকান ছাড়া অন্য কোন দোকানে না পাওয়া যায় তাহলে সে ডাক্তারের চিকিৎসা বাদ।

খ. ডাক্তার যে ঔষধ দিয়েছে তা যদি হাসপাতালের সামনে এবং আশেপাশেই থাকে এবং অন্য কোথাও পাওয়া যায় না তাহলেও সে ডাক্তারের চিকিৎসা বাদ।

গ. ডাক্তারের দেয়া ঔষধ অনলাইনে খুজে পাওয়া যায় না এবং dgda অর্থাৎ ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর এর ওয়েবসাইটে পাওয়া যায় না সে চিকিৎসাও বাদ।

সঠিক চিকিৎসা: এসব ব্যাপারে ডাক্তারের সুপরামর্শই প্রথম ঔষধ। এছাড়া ডাক্তার আর যা ঔষধ দিবে তা সহজলভ্য যেকোন ফার্মেসীতে পাওয়া যায়। এমন ডাক্তারের পরামর্শক্রমে ঔষধ সেবন করবেন। কোনক্রমেই কোন হাতুড়ি ডাক্তার কোন বন্ধু, আত্ত্বিয় এর পরামর্শে না জেনে কোন কিছু খাবেন না। আপনার ভুলের মাসুল শুধু আপনাকেই দিতে হবে। তাই সাবধান থাকবেন।

দ্রুত পতনের জন্য সঠিক চিকিৎসা প্রয়োজন। অযথা বলিকাতা!/ যার্মান! হারবাল, পরিচিত ডাক্তার আর ফার্মেসী থেকে ঔষধ খেয়ে জীবনের বাকি সময় জাহান্নাম করে তুলবেন না। বেশিরভাগ রোগীই যাদের কোন সমস্যাই থাকে না তারা কিছু বদমাইশের খপ্পরে পরে দ্রুত সুস্থততার টোপ গিলে জীবনের বাকি সময় যন্ত্রণাদায়ক মানসিক সমস্যা নিয়ে বেঁচে থাকেন যাকে বেঁচে থাকা বলে না। তাই গোপন এবং স্পর্শকাতর সমস্যার জন্য না জেনে কোন ডাক্তার বা ঔষধের দোকান বা হারবাল জাতীয় কোন ঔষধ সেবন থেকে বিরত থাকুন। ঔষধের দোকান থেকে যে ঔষধ কিনে সেবন করবেন তা আপনার সমস্যার সাময়িক সমাধান দিবে এবং কিছুদিন বাদে আপনার সমস্যা আরো গুরতর হয়ে আবার দেখা দিবে যার সমাধান কেউ দিতে পারবে না। তখন আপনার ঔষধের দোকাদারই বলবে ভালো ডাক্তার দেখাতে কিন্তু ততক্ষণে আপনার বারোটা বেজে যাবে। আর হারবাল নামে যেসব ঔষধ বাজারে ছাড়া হয় তার প্রায় সবই এ্যলোপ্যাথি ঔষধ গুড়ো করে বোতলজাত করে আপনাকে দেয়া হয় যা আপনার সমস্যার সাময়িক সমাধান করে এবং পরবর্তিতে তা আরো বড় হয়ে দেখা দেয়। সুতরাং সঠিক ডাক্তার দেখান। সঠিক ডাক্তার খুজে নেবার কিছু প্রকৃয়া নিচের লিংকে দেয়া হল।

ধন্যবাদ।

ডাক্তার লাইসেন্সপ্রাপ্ত কি/না তা যাচাই করুন বাংলাদেশ মেডিক্যাল এবং ডেন্টাল কাউন্সিল থেকে। রেজিস্ট্রার্ড ডাক্তার এর ভেরিফিকেশন দেখুন এখানে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *