Site icon পরিবর্তন

বিজয় বাংলা টাইপ শেখার সবচেয়ে সহজ পদ্ধতি

​

বিজয় বাংলা টাইপ শিক্ষন

বিজয় দিয়ে বাংলা টাইপ শেখার সবচেয়ে সহজ পদ্ধতি এখানে দেখাবো। বিজয় টাইপ শেখাটা সবচেয়ে কঠিন বলে মনে করতাম তাই এটি আমি যেভাবে সহজ করে নিচের মত করে শিখেছিলাম তা নিয়েই এই ব্লগ। বিজয় টাইপ শেখার কথা মনে হলেই সবার মাথায় আসে এত এলোমেলো করে অগোছানো অক্ষর কোথায় কি আছে না আছে, কোন অক্ষরের সাথে কোন অক্ষর ইত্যাদি কিছু ভুল ধারণা মাথায় প্রথমেই আসে বলে অনেকে বিজয় দিয়ে বাংলা টাইপ শিখতে চান না। আসলে সঠিক ব্রিফিং এর অভাবে বিজয় দিয়ে বাংলা টাইপ ব্যপারটি ভিতির পর্যায়ে চলে আসছে। অথচ কিছুটা প্রাকটিস থাকলে আপনার কাছে যে কোন টাইপ কোন ব্যাপার না।

 ইংরেজি টাইপ জানা থাকলে, বিজয় বাংলা টাইপ আলাদা করে শেখাটা খুব সহজ হয়ে যায়। 

ইংরেজি টাইপ জানা থাকলে অভ্র বাংলা টাইপ আলাদা করে শেখার প্রয়োজন হয় না!

অফিস প্রোগ্রাম কোর্স এর হোম সার্ভিস পেতে কমেন্টে লিখুন, এরিয়া: মোহাম্মদপুর, ঢাকা।

বিজয় বাংলা টাইপ শেখার জন্য বাংলা বর্ণমালা শেখার মত করে, ভিন্ন ভাবে অর্ধেক বর্ণমালা শিখতে হবে, বাকিটা এমনিতেই শেখা হবে যা মুখস্থ করতে হবে না। 

বিজয় টাইপ শেখার জন্য ইংরেজি টাইপ আবশ্যিকভাবে শিখতেই হবে এবং ইংরেজি টাইপ শেখার পর বর্ণমালা যেভাবে শিখবেন তা ডানে এবং বামে ভাগ করে লিখছি:-

বাম হাতেডান হাতে
‘qw ert’ এই অক্ষরগুলো চাপলে হবে ‘ঙয ডপট’‘yu iop’ এই অক্ষরগুলো চাপলে হবে ‘চজ হগড়’
‘asdf g’ এই অক্ষরগুলো চাপলে যা হবে ‘ৃ ‍ু  ি া’ (ঋ, উ, ই, আ কার)‘h jkl’ এই অক্ষরগুলো চাপলে যা হবে ‘ব কত দ’
‘zxcv’ এ অক্ষরগুলো চাপলে হবে ‘্র ও  ে র’
( র্র ও ে র)
‘b nm’ এ অক্ষরগুলো চাপলে হবে ‘ন সম’

এই নতুন অদ্ভুদ ধরনের স্বরবর্ণ ও ব্যঞ্জনবর্ণ শেখার পর বাকি অক্ষরগুলো কোথায় আছে তা মুখস্ত করতে হবে না (আগেই বলেছি আবার বললাম)। তাহলে বাকি অক্ষরগুলো কোথায়? 

বাকি অক্ষরগুলো সব Shift এর সাথে সাজানো অর্থাৎ h চাপলে “ব”, যখন (Shift + h) একসাথে চাপবেন তখন “ভ” হবে।

নিচে টেবিলে বিস্তারিত দেয়া হলঃ

বাম হাতডান হাত
ইংরেজি অক্ষরবাংলা অক্ষরShift প্রেস করেইংরেজি অক্ষরবাংলা অক্ষরShift প্রেস করে
qঙংyচছ
wযয়uজঝ
eডঢiহঞ
rপফoগঘ
tটঠpড়ঢ়
 — — — — — —
aৃ (ঋ)র্ ফলাhবভ
sু (উ)ূ (ঊ)jকখ
dি (ই)ী (ঈ)kতথ
fা (আ)অlদধ
 — — — — — —
z্র ফলা্‌য ফলাbনণ
xওৗ ঔ কারnসষ
cে এ কারৈ ঐ কারmমশ
vরল — — —

এভাবে
h চাপলে “ব”,  (শিফট h)=“ভ” অর্থাৎ “ব” শিখলে “ভ” ফ্রি, “ব,ভ”
j চাপলে “ক”,  (শিফট j)=“খ” অর্থাৎ “ক” শিখলে “খ” ফ্রি, “ক,খ”
k চাপলে “ত”,  (শিফট k)=“থ” অর্থাৎ “ত” শিখলে “থ” ফ্রি, “ত,থ” 
l চাপলে “দ”,  (শিফট l)=“ধ” অর্থাৎ “দ” শিখলে “ধ” ফ্রি, “দধ,”
y চাপলে “চ”,  (শিফট y) “ছ” অর্থাৎ “চ” শিখলে “ছ” ফ্রি, “চ,ছ”
u চাপলে “জ”,  (শিফট u)=“ঝ” অর্থাৎ “জ” শিখলে “ঝ” ফ্রি, “জ,ঝ”
i চাপলে “হ”,  (শিফট i) “ঞ” অর্থাৎ “হ” শিখলে “ঞ” ফ্রি, “জ,ঞ”
o চাপলে “গ”,  (শিফট o) “ঘ” অর্থাৎ “গ” শিখলে “ঘ” ফ্রি, “গ,ঘ”
p চাপলে “ড়”,  (শিফট p) “ঢ়” অর্থাৎ “ড়” শিখলে “ঢ়” ফ্রি, “ড়,ঢ়”
b চাপলে “ন”,  (শিফট b) “ণ” অর্থাৎ “ন” শিখলে “ণ” ফ্রি, “ন,ণ”
n চাপলে “স”,  (শিফট n) “ষ” অর্থাৎ “স” শিখলে “ষ” ফ্রি, “স,ষ”
m চাপলে “ম”,  (শিফট m) “শ” অর্থাৎ “ম” শিখলে “শ” ফ্রি, “ম,শ”
q চাপলে “ঙ”,  (শিফট q) “ং” অর্থাৎ “ঙ” শিখলে “ং” ফ্রি, “ঙ, ং”
w চাপলে “য”,  (শিফট w) “য়” অর্থাৎ “য” শিখলে “য়” ফ্রি, “য,য়”
e চাপলে “ড”,  (শিফট e) “ঢ” অর্থাৎ “ড” শিখলে “ঢ” ফ্রি, “ড,ঢ”
r চাপলে “প”,  (শিফট r) “ফ” অর্থাৎ “প” শিখলে “ফ” ফ্রি, “প,ফ”
t চাপলে “ট”,  (শিফট t) “ঠ” অর্থাৎ “ট” শিখলে “ঠ” ফ্রি, “ট,ঠ”
a চাপলে “ৃ”,  (শিফট a) “র্” ফলা  অর্থাৎ “ৃ” শিখলে “র্” ফলা ফ্রি, “ৃ,র্ ”
s চাপলে “ ‍ু”,  (শিফট s) “ূ” অর্থাৎ “ু” শিখলে “ূ” ফ্রি, “ু, ‍ূ”
d চাপলে “ ি”,  (শিফট d) “ী” অর্থাৎ “ি” শিখলে “ী” ফ্রি, “ ি, ী”
f চাপলে “া”,  (শিফট f) “অ” অর্থাৎ “া” শিখলে “অ” ফ্রি, “া ,অ”
g চাপলে “্ ”,  (শিফট g) “।” (দাড়ি) অর্থাৎ “্” শিখলে “।” ফ্রি, “্ ।” (হসন্ত, দাড়ি)
z চাপলে “্র”,  (শিফট z) “্য” অর্থাৎ “্র” শিখলে “্য” ফ্রি, “্র ্য” (র-ফলা, অন্তস্থ-য-ফলা)
x চাপলে “ও”,  (শিফট x) “ৗ” অর্থাৎ “ও” শিখলে “ৗ” ফ্রি, “ও, ৗ”
c চাপলে “ ে”,  (শিফট c) “ ৈ” অর্থাৎ “ ে” শিখলে “ ৈ” ফ্রি, “ ে , ৈ”
v চাপলে “র”,  (শিফট v) “ল” অর্থাৎ “র” শিখলে “ল” ফ্রি, “র,ল”

স্বরবর্ণ লিখতে নিচের কিছু সহজ পদ্ধতি অবলম্বন করতে হয়, উপরের টেবিলে যদিও এ কার, ঐ কার, আ কার ইত্যাদি দেখানে হয়েছে তবে এ, ঐ, আ কিভাবে লিখে তা দেখানো হয় নাই, নিচে কোন কোন ইংরেজি অক্ষর লিখলে কোন অক্ষর হবে তা দেখানো হল।

ইংরেজি অক্ষরস্বরবর্ণ
Shift + fঅ
g + fআ
g + dই
g + Shift + dঈ
g + sউ
g + + sঊ
g + aঋ
g + cএ
g + Shift + cঐ
xও
g + Shift + xঔ
ggহসন্ত দেবার ক্ষেত্রে। যেমন যাহ্‌

আলাদা করে “ৎ” “ঃ” শিখতে হবে এটা “\” চিহ্নিত বাটনে থাকে। 

“ ঁ” থাকে (শিফট “7”)=ঁ

বর্ণ সংযুক্ত করতে একটি অক্ষর লিখে  ্‌ (হসন্ত g) ব্যবহার করে পরবর্তি অক্ষর লিখতে হবে। সকল যুক্ত অক্ষর এর উদাহরণ দেওয়ার প্রয়োজন বোধ করি না কারণ বাংলা বর্ণমালায় অল্প কিছু যুক্তাক্ষর ব্যতিত সকল যুক্তাক্ষর কোন দুটি বা তিনটি অক্ষর মিলিত হয়ে একটি যুক্তাক্ষর হয়েছে তা উচ্চারণ এবং অক্ষরটি দেখলেই বুঝতে পারা যায়। তাই অল্প কিছু অপ্রলিত যুক্তাক্ষর এর বিশ্লেষন (কোন দুটি বা তিনটি অক্ষরের সমন্বয়ে নতুন যুক্তাক্ষর হয়) নিচে দেয়া হল:

হ্ম= হ + ম = হ  ্‌ ম । উদাহরণ:- ব্রাহ্মণ
ট্ট= ট + ট = ট ্‌ ট । উদাহরণ:- ভুট্ট সাহেব
ক্ষ= ক + ষ=ক ্‌ ম । উদাহরণ:- ক্ষমা
ঞ্চ= ঞ + চ= ঞ ্‌  চ । উদাহরণ:-  চঞ্চল             
ক্ম=ক + ম = ক ্‌ ম। উদাহরণ:- রুক্মিণী
ত্থ= ত + থ = ত ্‌ থ। উদাহরণ:- অশ্বত্থ
ক্ষ্ম= ক + ষ + ম = ক ্‌ ষ ্‌ ম । উদাহরণ:-  লক্ষ্মী
জ্ঞ= জ + ঞ = জ ্‌ ঞ । উদাহরণ:- জ্ঞান
হৃ= হ + ‍ৃ (্‌ ব্যবহারের প্রয়োজন নাই)। উদাহরণ:-  হৃদয়
ত্ম= ত + ম = ত ্‌ ম । উদাহরণ:- আত্মা
গ্ম= গ + ম= গ ্‌ ম। উদাহরণ:- বাগ্মী
ষ্ণ= ষ + ণ =ষ ্‌ ণ । উদাহরণ:- উষ্ণ
ঞ্জ= ঞ + জ = ঞ ্‌ জ । উদাহরণ:- গুঞ্জন
ত্ত্ব= ত + ত + ব = ত ্‌ ত ্‌ ব। উদাহরণ:- তত্ত্বাবধায়ক
ব্ধ= ব + ধ = ব ্‌ধ । উদাহরণ:- উপলব্ধি
ষ্ক= ষ + ক = ষ ্‌ ক । উদাহরণ:- পরিষ্কার
ষ্ম=ষ + ম = ষ ্‌ ম। উদাহরণ:- গ্রীষ্ম
হ্ন= হ + ন = হ ্‌ ন। উদাহরণ:- চিহ্ন
ন্ম= ন + ম = ন ্‌ ম। উদাহরণ:- জন্ম

Exit mobile version