স্বাগতম,

 

সফলতার সহজ এবং সংক্ষিপ্ত পথ অনেক জায়গায় খুজে হয়তো আমার এই ব্লগে এসেছেন নতুবা প্রথমেই আমার এই আর্টিকেল পেয়েছেন। যদি আগে হতাশ হয়ে থাকেন অন্য কোন ব্লগ পড়ে বা কোন মোটিভেটরের কথা শুনে তবে এখানে আপনি পাবেন সফলতার সহজ এবং সংক্ষিপ্ত পথ। তবে চলুন সফলতার পথে, আমরা ধাপে ধাপে এগুবো এবং সফলতার দিকে পৌছাব।
 

 

১। বই পড়ুন প্রতিদিন। যে কোন বই। তবে পড়তে হবে ২ঘন্ট একটানা। মানে কোন বিরতি নেয়া চলবে না। তবে প্রকৃতির ডাকে শুধু সাড়া দেয়া যাবে। পানি পান করতে চাইলে অল্প পরিমান করে পান করা যাবে। এই ২ঘন্টায় মোবাইল অফ থাকবে, বাব-মা সহ ইম্পর্টেন্ট পারর্সোনকে বলে রাখবেন যেন দুশ্চিন্তা না করে। তাই এমন ২ ঘন্ট বেছে নিবেন যাতে কোন কল মিস না হয়। তবে মনে রাখবেন আপনি সফলতার দিকে যাচ্ছেন এতে দিনের মাত্র দুই ঘন্টা মোবাইল অফ রাখাটা তেমন কিছুই না।
 
 
২। বইয়ের সাজেশন চাইতে পারেন অনেকেই তাই বলছি আপনার হাতের কাছে যে বই আছে আপাতত সেই বই পড়া শুরু করেন। তার পর বন্ধু বান্ধবের কাছ থেকে যেটা সে দিতে সম্মত সেই বইটা এনে পড়ে শেষ করে দিন। তবে মনে রাখবেন কোন দিনও যেন বই পড়া মিস না হয়। মানে প্রতিদিন বই পড়বেন। তাই বাহিরে গেলে ছোট বই নিয়ে যাবেন যাতে পড়া মিস না যায়। 
 
 
৩। এত বই পাবেন কোথায়? খুব সহজ আমাদের দেশে বইয়ের দাম খুবই নগন্য আমরা বইয়ের দাম দিতে জানিনা, লেখকদের মূল্যায়ন করতে জানি না ফলে দেখা যায় লেখক কবিরা দিন শেষে বিনা চিকিৎসায় মারা যায় এবং তারা মারা যাবার পরে তাকে স্মরন করি আরো অনেক পরে!! যাই হোক রাস্তাঘাটে ফুটপাতে এবং ভাঙ্গারির দোকানে অনেক পুরাতন বই পাবেন। সেগুলো একটি একটি করে সংগ্রহ করে পড়বেন আর আপনার সংগ্রহে রাখবেন। টাকা না থাকলেই উপরের ধাপ অনুসরন করবেন। আর টাকা থাকলে নিচের ধাপে।
৪। বি.সি.এস কনফার্ম এসব বই পড়তে পারেন। তবে আপনার যদি মুখস্তবিদ্যা থাকে এবং চাকুরী প্রত্যাশা করেন তাহলে বিজ্ঞাপন অনুযায়ী মুখস্ত করুন একটা চাকুরী নিশ্চিত পাবেন। অনেকে সরকারী যে কোন একটি চাকরিকেই তাদের সফলতা মনে করেন। তবে আপনার যদি তা না হয় তবে আপনাকে মুখস্ত নয় শুধুই বুঝে বুঝেই পড়ে যেতে হবে এবং বইগুলো সংগ্রহ করতে হবে।
 
৫। মাত্র এক মাস এভাবে বই পড়া শেষ করলে বুঝতে পারবেন আপনি সফল হবেন নাকি চাকুরী পেয়ে সফল হবেন।  দ্বিতীয় মাসের শুরুতেই আপনি কোন কোন বই পড়তে হবে জেনে যাবেন এবং এবং আপনার সফলতার বাতাস শরীরে লাগতে থাকবে। থামেন শুধু স্বপ্ন দেখলেই হবে আপনাকে পড়া চালু রাখতেই হবে। এভাবে চলতে থাকবে আপনি এতদিনে বিভিন্ন পত্রিকার সম্পাদকীয় পড়া শুরু করেছেন আর আগের দুই ঘন্টায় আপনার পড়ার সীমাবদ্ধতা নাই আপনি দুই এর সাথে কয়েক ঘন্টা গুণ করে পড়ছেন আর আনন্দের সাথে পড়ছেন। 
 
৬। আর্থিক সীমাবদ্ধতার কারণে হয়ত আপনার পড়াশুনা বাধাগ্রস্থ হচ্ছে  এখন কোন সমস্যা নাই আপনি টিউশনি সহ অল্প বেতনে অনেক চাকুরী পাবেন সেখানে কম সময় কাজ করা যায় এমন প্রতিষ্ঠান যেমন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে একটা চাকুরী নিন আর পড়াশুনা চালিয়ে যান।
 
৭। এত পড়ার উদ্দেশ্য হল আপনার মেধাকে বিকশিত করা। আপনি বিভিন্ন সমস্যার সমাধান ভাবতে পারেন এগুলো নিয়ে লিখতে শুরু করেন বিভিন্ন পত্রিকায়। বিভিন্ন সাহিত্য সংগঠনের সাথে যুক্ত হন। লেখাকে যুক্তিযুক্ত করে বিভিন্ন পেপারে পাঠান, বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্রে আসা যাওয়া করেন। বিভিন্ন সংবাদপত্রের সাংবাদিকদের সাথে কথা বলুন দেখবেন আপনার কোন একটি দিক খুলে যাচ্ছে তবে কোন দিকেই আপনার যেতে মন চাইবে না আপনি শুধু হাসবেন হায় সফলতা তুমি আমার দিকে আসে নাই আমি এখন ভাবছি কোন দিকে আমি সফল হব।
 
তথ্যটি শেয়ার করুন
No comments